We have not detected your mobile number. This may happen when you are using WIFI connection.
৩ মাস বয়সী, ২ সপ্তাহ
৩ মাস বয়সী, দ্বিতীয় সপ্তাহ
কিভাবে আপনার শিশু বেড়ে উঠছে
শিশুরা স্পর্শে থাকতে ভালবাসে। প্রকৃতপক্ষে,
এতে তারা আরও সতেজ হয়ে উঠে- এটি শিশুর বৃদ্ধি ও উন্নতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ত্বকের
সাথে ত্বকের স্পর্শ কেবল আপনি ও আপনার শিশুকে শুধু আরাম দিচ্ছে না, এটি তাকে শান্ত
করে রাখে যখন সে অস্বস্তিবোধ করে।
বিভিন্ন ধরণের জিনিস দিয়ে আপনার শিশুর
স্পর্শের অনুভূতি আরও সক্রিয় করে তুলুন- যেমন কোন আরামদায়ক কাপড় বা কেশর ভাল কাজে
দেয়। সাবধানে কাপড় নির্বাচন করুন কারণ আপনার শিশু তা নিয়ে খেলতে ও কামড় দিতে
চেষ্টা করবে। শিশুর মুখের সামনে অপ্রয়োজনীয় কোন জিনিস যেন না আসে তা নিয়ে সতর্ক
থাকুন এবং শিশুকে একা রেখে আসা থেকে বিরত থাকুন। ভাল বইয়ের সন্ধান করুন যা তাকে
নতুন এবং মজাদার অভিজ্ঞতা দেবে।
কিভাবে আপনার জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে
শিশু জন্মের পরে আপনার গঠিত শরীরকে গ্রহণ
করার চেষ্টা করুন। আপনার জীবনের এটিই প্রধান বাস্তব সময়। মনে রাখবেন যে একটি শিশু
জন্মানোর মানে হল আপনার জীবন ও শরীর পরিবর্তনের একটি বড় অভিজ্ঞতা। আপনার কোমর এখন
সামান্য বড় হয়ে যেতে পারে এবং পেট নরম হয়ে যেতে পারে। গর্ভাবস্থার পূর্বের আকৃতি
ফিরে আনতে নিজেকে কমপক্ষে ৯ মাস সময় দিন। যদি আপনি শিশুকে বুকের দুধ দিয়ে থাকেন
তাহলে অত্যন্ত বিধিনিষেধযুক্ত খাদ্যাভ্যাস এড়িয়ে চলুন। খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে অথবা
ব্যায়াম করে দ্রুত ওজন কমানো আপনার পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে, আপনি কি খাবেন বা
কিভাবে খাবেন তা নিয়ে আরও সতর্কতা অবলম্বন করুন। এখানে কিছু নির্দেশিকা আছেঃ
·
ছোট অংশে ভাগ
করে খাবার খান, এবং ধীরে চর্বণ করুন। কম খাবার খেয়ে সন্তুষ্ট থাকা যায়। পেট ভরে
যাওয়ার আগেই খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিন।
·
জল পান করুন।
শিশুকে দুধ পান করিয়ে থাকলে জলয়োজিত থাকা অনেক উপকারী, জল আপনার পেট ভরায় এবং
ক্ষুধার যন্ত্রণা নিয়ন্ত্রণ করে।
·
পরিমিত ক্যালোরিযুক্ত
খাবার খান। গর্ভাবস্থায় যেসব পুষ্টিকর খাবার খেতেন তার উপর জোর দেন।
·
অল্প
ক্যালোরির খাবার যেমনঃ পোহা, ফলের রস, ফল এবং কাচা সবজি রাখুন।
·
পুনরায়
ব্যায়াম করা শুরু করে দিন। মনে রাখবেন যে, আপনাকে ধীরে সুস্থে শুরু করতে হবে এবং
গর্ভাবস্থার আগের ব্যায়ামে মনোযোগ দিন।
আপনার সঙ্গীর জন্য সময় খুঁজে বের করুন
আপনি যদি যৌথ পরিবারে থেকে থাকেন তাহলে
আত্মীয়স্বজন সাথে থাকায় শিশুর পরিচর্যা করতে সুবিধা হবে। সবাইকে কাছে পেয়ে আপনার
শিশুও অনেক শান্তিতে থাকবে। যদি একক পরিবারে থাকেন যেখানে আপনার আত্মীয়স্বজন বা
শ্বশুর-শাশুড়ি নেই, তাহলে এমন বিশ্বস্ত কাউকে রাখুন যে আপনার সন্তানদের দেখাশোনা
করতে পারবে।