We have not detected your mobile number. This may happen when you are using WIFI connection.

৮ মাস বয়সী, ২ সপ্তাহ

৮ মাস বয়সী, দ্বিতীয় সপ্তাহ

কিভাবে আপনার শিশু বেড়ে উঠছে

আপনার শিশু এখন অনেক জিনিসপত্র ঝাঁকুনি দিয়ে, নিচে ফেলে, নিক্ষেপ করে অনশন্ধান করছে এবং কোনটা কামড়িয়ে বা খেয়ে বেড়াচ্ছে। আপনি কোন জিনিস নিয়ে যা করেন তার সব ধারণা সে পেতে শুরু করছে (যেমন চিরুনি দিয়ে চুল আছড়ানো), তাই শিশুর সব কাজ তার আকর্ষণের মূল কেন্দ্র। যেসব খেলনাগুলোর বিশেষ ব্যবস্থা আছে সেসবের প্রতি শিশু একটু বেশি আকৃষ্ট হয় যেমন মোবাইল ফোন। তাই সে যদি এটি ধরতে পারে তার কানের কাছে গিয়ে সবার মত কথোপকথনের ভান করতে পারে। পরবর্তী কয়েক মাসে সে অন্যান্য জিনিশগুলি ব্যবহার করা শুরু করবে যেমন চুল আছড়ানো, কাপ থেকে পান করা বা তার খেলনা মোবাইল ফোনে কথা।

কিভাবে আপনার জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে

আপনি যখন শিশুকে কোন যত্নকারীর কাছে ঘরে রেখে যান তাহলে সে আপনার সাথে এই বিচ্ছেদে উদ্বিগ্ন হবে যা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক। আসলে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের এটি একটি চিহ্ন। অবশ্য আপনার শিশুর উদ্বেগ দেখে আপনারও চিন্তা হবে।

শিশুকে ঘরে রেখে যাওয়ার পূর্বে করনীয় কিছু পরামরশঃ

ü  স্নেহপুর্ণ উপায়ে আপনার শিশুকে বিদায় জানান। বিদায়ের সময় নিজেকে বা তাকে আবেগপ্রবণ করে তুলবেন নয়া।

ü  একবার বিদায় জানানোর পরে আবার তার কাছে যাবেন না সে ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য। এটি কেবল দুজনকেই আরও দুর্দশায় ফেলবে।

ü  যদি এটি আপনাকে ভাল অনুভূতি দেয় তাহলে কোথাও যাওয়ার আগে আপনার শিশুকে ডাকুন। সে হইত আপনি যাওয়ার পর কান্না থামিয়ে দেবে এবং অন্য কোন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বে।

ü  আপনার শিশুকে সাথে নিলে তার সাথে কিছু সময় কাটান।

নিঃশব্দে ভোজন

প্রস্তুত হওন! আট বা নয় মাসে, অনেক শিশুরা খাবারের পছন্দে অনেক খুঁতখুঁতে হয়ে পড়ে। কিন্তু আপনার শিশুর স্বাদের পরিবর্তন হওয়াতে আপনি কি করতে পারেন? একটাই উত্তর, আপনার শিশুর খাবারে ভিন্নতা বজায় রাখুন। সে হইত গাজর খেতে পছন্দ করবে না কিন্তু ফুলকপি, মটরশুঁটি বা ব্রকলি খেতে পারে। সে আপেল না খেয়ে কলা বা নাশপাতি খেতে পারে। তাই পুরো সপ্তাহ জুড়ে শিশুকে ভিন্ন ভিন্ন খাবার দিন এবং খেয়াল রাখুন তার বেড়ে উঠতে যে পুষ্টি দরকার তার সব যেন ঠিকমত পায়। মনে রাখুন শিশু কি খাবে না খাবে তা বলা অনেক সহজ কিন্তু সে যখন সেদ্ধ আলু হাত দিয়ে ভর্তা করে দেয় বা মুখ সরিয়ে নেয় তাহলে ধরে রাখুন তার যথেষ্ট হয়েছে। তার খাওয়াদাওয়া নিরবচ্ছিন্ন রাখুনঃ জেনে রাখুন যে যদি কোন খাবারের স্বাদ পছন্দ না করে এবং খেতে যদি বাধ্য না হয় তাহলে তার নতুন কোন খাবার খাওয়ার মত আত্মবিশ্বাস জেগে উঠবে।