We have not detected your mobile number. This may happen when you are using WIFI connection.
৬ মাস বয়সী, ২ সপ্তাহ
৬ মাস বয়সী, দ্বিতীয় সপ্তাহ
কিভাবে আপনার শিশু বেড়ে উঠছে
আপনার শিশু যেকোনো এক হাত দিয়ে সব কাজ করবে
এবং পরে তা পরিবর্তন করবে। কিন্তু দুই বা তিন বছর বয়সের আগে সে ডান না বামহাতি হবে
তা বলা যায় না।
শিশুর হাতের পছন্দ ঠিক করার জন্য তাকে
প্রভাবিত করতে চেষ্টা করবেন না (এটি জন্মের পূর্ব থেকেই ঠিক করা থাকে)।
উদাহরণস্বরূপ, শিশুকে ডান হাতে ব্যবহারে বাধ্য করাতে গেলে এটি তাকে বিভ্রান্ত করতে
পারে এবং পরে চোখের সমন্বয়, দক্ষতা ও হাতের লেখায় সে সমস্যায় ভুগবে।
কিভাবে আপনার জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে
অধিকাংশ সময় আপনার শিশুকে অন্য শিশুদের সাথে
তুলনা করছেন? বন্ধুবান্ধবের সন্তান কিংবা কোন সুপারমার্কেটে কোন শিশু দেখলে তার
সাথে আপনার শিশুকে তুলনা করে না এমন মা-বাবা হইত খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার
এলাকায় কোন শিশু অন্যান্য শিশুর তুলনায় আরও উন্নত হচ্ছে বলে শুনলে সাধারণতই নিজের
শিশুর চিন্তা হয় যে সে ঠিকমত বেড়ে উঠছে কিনা। এধরনের চিন্তা যে অনেক দরকারি তা না।
প্রত্যেক শিশুই তার নিজস্ব গতিতে বেড়ে উঠে। বিশেষভাবে, ছয় মাসের কাছাকাছি সময়ে তার
শারীরিক ও কথা বলার দক্ষতাগুলো অন্যান্য শিশু দ্বারা প্রভাবিত হয়।
শিশুকে নিয়ে আপনার কোন উদ্বেগ থাকলে
অন্যান্য শিশুর দ্বারা শিখানোর চেয়ে তার বিকাশের স্বাভাবিক বিষয়গুলো আপনার জানা
দরকার। তারপরেও, এভাবে মাইলস্টোন চার্ট গুলো অতি সাধারণ গাইড। এটি থেকে আপনার শিশু
বিচ্যুত হতে পারে কারণ সে শুধুমাত্র একটি দক্ষতাই একসময়ে অর্জন করতে চায় তাই তার কিছু
সময়ের দরকার। আপনার শান্ত থাকা উচিৎ যে শিশু পিছিয়ে পড়ছে কিন্তু তার বিকাশের
বিলম্বের সম্ভাবনা খুব বেশি নয়। নিজের চেষ্টায় বিশ্বাস রাখুন- খুব বেশি চিন্তিত
হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ভাল খাওয়াদাওয়া
শিশুকে সর্বদা যত্নে রাখা অনেক ক্লান্তিকর।
ভারী খাবার আপনাকে নিদ্রালু করতে পারে, তাই হাল্কা ও পুষ্টিকর খাবার খেতে চেষ্টা
করুন। সকালের খাবার বাদ দিবেন না। তাড়াহুড়ায় থাকলে সকালের খাবার বাদ পড়ে যেতে পারে
কিন্তু রাতের দীর্ঘ ঘুমের পরে আপনার শরীরে শক্তি প্রয়োজন। প্রোটিন যেমন ডিম বা
জইচূর্ণ/অউটমিল দিয়ে সকালের খাবার গ্রহণ করতে পারেন যা আপনাকে অনেক শক্তি দেবে।
খাদ্য পিরামিডের উপরে আরোহণ করুন। প্রতিদিন খাবারের তালিকায় পাঁচ টুকরা করে
শাকসবজি ও ফল রাখুন। ফ্রিজে সবসময় কাঁচা শাকসবজি রেখে দিন। শুকনো, হিমায়িত বা
টিনজাত ফল সংরক্ষণ করুন যা অনেক স্বাস্থ্যকর। তাজা বা হিমায়িত ফল, ফলের রস ও দই
দিয়ে স্মুদি বা ক্রিমি পানীয় তৈরি করুন।
অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে জাঙ্কফুড পরিহার
করুন। এসব খাবার আপনার তাড়াতাড়ি পেট ভরিয়ে আপনাকে অলস করে দেয়। সেকা আলু, বাদাম,
চিনাবাদাম, শস্যদানার টুকরা, পপকর্ন ইত্যাদি পুষ্টিকর বিকল্প খাবার তালিকায় রাখুন।
কাঁটা ও শুকনো ফল, সূর্যমুখী বা কুমড়ার দানা, বাদাম, নারকেলের ফ্লেক অথবা চকলেটের
চিপস কিনে রাখুন।
কার্বোহাইড্রেট শক্তির প্রধান উৎস, তাই ওজন
কমানোর প্রচেষ্টা পূর্ণ করতে আবারো চিন্তা করুন। যেমন মাঝারি প্লেটের এবং কোন সস
ছাড়া পাস্তা খেতে পারেন অথবা পনিরের কোন বিস্কুট।